বাংলাদেশে গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ প্রকাশ নিষেধ
আইনি দিক:
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্ট গর্ভের শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ নিষিদ্ধ করে রায় দিয়েছে।
এই রায় অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি, হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ল্যাবরেটরি কোনো লেখা বা চিহ্ন বা অন্য কোনো উপায়ে শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ করতে পারবে না।
এই আইনের লঙ্ঘনকারীদের শাস্তির বিধান রয়েছে।
সামাজিক দিক:
ঐতিহাসিকভাবে, বাংলাদেশে পুরুষ সন্তানের প্রতি পক্ষপাত দেখা যায়।
এই পক্ষপাতের ফলে, অনেক গর্ভবতী মায়ের উপর ছেলে সন্তানের জন্য চাপ থাকে।
গর্ভের শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ ও লিঙ্গ নির্বাচনের ফলে কন্যা ভ্রূণ হত্যার ঘটনাও ঘটে।
হাইকোর্টের রায় কন্যা ভ্রূণ হত্যা রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাস্তবায়ন:
হাইকোর্টের রায় কার্যকর করার জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোকে নীতিমালা মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে।
সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য জনসচেতনতামূলক কর্মসূচিও চালানো হচ্ছে।
চ্যালেঞ্জ:
এই আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
দুর্নীতির কারণে কিছু ক্ষেত্রে আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটতে পারে।
সচেতনতার অভাবে অনেকেই আইন সম্পর্কে জানেন না।
ভবিষ্যৎ:
আশা করা হচ্ছে, সময়ের সাথে সাথে এই আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে কন্যা ভ্রূণ হত্যার ঘটনা কমে আসবে।
এতে করে সমাজে লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তথ্যসূত্র:
[বাংলাদেশে গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট]
